শেয়ার

Walton Primo R4 Hands On review

আরো একটি প্রমিসিং স্মার্টফোন বাজারজাত করলো ওয়ালটন। নতুন এই ডিভাইসটির নাম নাম Primo R4. দারুন ডিজাইন আর স্লিম এই ডিভাইসটির ইতিমধ্যেই ইউজারদের মধ্যে সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছে। মেটালিক লুক আর শাইনি ব্যাক কভারের জন্য এই  ডিভাইসটি ইতি মধ্যেই ক্রেতা মহলে সাড়া ফেলেছে। শুধু কি তাই? ২ জিবি  র‌্যাম, কোয়াডকোর প্রোসেসর, ৬৪ বিট চিপসেট, দারুন ক্যামেরা তো রয়েছেই। আর দাম? মাত্র ১১,২৯০ টাকা।

চলুন, এক নজরে দেখে নেই কি কি রয়েছে এই ডিভাইসে :

ডিসপ্লে: ৫” এইচ ডি ডিসপ্লে

স্ক্রিন রেজুল্যুশন: ১২৮০ X ৭২০ পিক্সেল

প্রোটেকশন: গড়িলা গ্লাস ৩

ও.এস: এন্ড্রয়েড ৫.০ ললিপপ।

র‌্যাম: ২ জিবি

রম: ১৬ জিবি (৩২ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।)

ক্যামেরা: ৮ মেগাপিক্সেল রিয়্যার এবং ৫ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা।

প্রোসেসর: ৬৪ বিট ১.৩ গিগাহার্টজ কোয়াডকোর প্রোসেসর।

চিপসেট: মিডিয়াটেক ৬৭৩৫

ব্যাটারি: ২৪০০ মিলি এ্যম্পিয়ার লি-আয়ন ব্যাটারি।

আনবক্সিং

** একটি স্ক্রিন প্রোটেক্টর

** ওয়্যারেন্টি কার্ড এবং ইউজার ম্যানুয়্যাল

** ইউ এস বি চার্জার

** ডাটা ক্যাবল

** সুদৃশ্য ব্যাক কভার

** ইয়ার ফোন

Free

আপনাদের জানিয়ে রাখা ভালো  “কালো এবং সাদা” এই দুটি রঙে এই ডিভাইসটি কিনতে পারবেন।

New (1)

অপারেটিং সিস্টেম:

ডিভাইসটিতে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে এন্ড্রয়েড ললিপপ ৫.০।

OS

ডিজাইন এবং বিল্ট কোয়ালিটি

ডিজাইনের দিক দিয়ে Walton Primo R4 অনেকটা মেটালিক লুকসের মত। ডিভাইসটি হাতে নিয়ে এক্সপিরিয়েন্স না করলে আপনি বুঝতেই পারবেন না এটা কি মেটালিক বডি না প্লাষ্টিক মেইড। কালো রঙের প্লাষ্টিক বডির এই ডিভাইসের ডিসপ্লে-তে ব্যবহার করা হয়ে আই পি এস প্রযুক্তি।

Full Body

ডিভাইসটিতে রয়েছে ৫” এইচ ডি ডিসপ্লে। ডিসপ্লের উপরের অংশে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা। আর তার ঠিক পাশেই রয়েছে প্রক্সিমিটি সেন্সর।

Up

ডিভাইসটির একদম নিচের দিকে রয়েছে ৩টি ক্যাপাসিটিভ টাচ বাটন।

Down

ডিভাইসটির ডান পাশে উপরের দিকে রয়েছে ভলিউম রকারস বাটন। আর তার ঠিক নিচেই রয়েছে পাওয়ার বাটন। এছাড়া ডিভাইসের ঠিক উপরের দিকে রয়েছে ৩.৫ মিলিমিটার অডিও জ্যাক পোর্ট।

Volume rocker

ডিভাইসের একদম  নিচের দিকে রয়েছে মাইক্রো ইউ এস বি চার্জার

USB

ডিভাইসটির পেছনের দিকে রয়েছে সাদা রঙের শাইনি ব্যাক কভার। একদম ক্লোজলি না দেখলে যে কেউ-ই বলবে ডিভাইসটির পেছনে গড়িলা গ্লাস ব্যবহার করা হয়েছে। আর শাইনি ব্যাক কভারের জন্য ডিভাইসের লুকস আরো মোহনীয় হয়ে উঠেছে।

Camera

Primo R4 এর  রিয়্যার ক্যামেরায় রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল অটো ফোকাস ক্যামেরা। আর তার ঠিক পাশেই রয়েছে উজ্বল ফ্ল্যাশ লাইট। আর ব্যাক কভারের নিচের দিকে রয়েছে লাউড স্পিকার।

Lower body

ডিভাইসটির  ব্যাক কভার খুললে পাবেন ২৪০০ মিলি এ্যম্পিয়ার রিমুভেবল ব্যাটারি। ব্যাটারির উপরের দিকে রয়েছে ২টি ডুয়াল ৩জি/৪জি সিম স্লট। এছাড়া ৩২ জিবি মাইক্রো এস ডি কার্ড ইউজ করার সুবিধা তো রয়েছেই।

battery

ডিভাইসটির দৈর্ঘ্য ১৪৩ মিলিমিটার, প্রস্থ্য ৭০.৩ মিলিমিটার এবং পুরুত্ব মাত্র ৭.৯ মিলিমিটার। এছাড়া ডিভাইসটির ওজন ব্যাটারি সহ মাত্র ১৩৬ গ্রাম।

ডিসপ্লে এবং টাচ কোয়ালিটি

Walton Primo R4 এর ডিসপ্লে-তে ব্যবহার করা হয়েছে ৫” পিউর আই পি এস টেকনোলজি।  ডিসপ্লে’র রেজুল্যুশন হলো ১২৮০ X ৭২০ পিক্সেল।  ডিভাইসটির ডিসপ্লেতে ২৬ মিলিয়ন কালার সাপোর্টেড। Walton Primo R4 এর ডিসপ্লে-তে ৩য় প্রজন্মের গরিলা গ্লাস ব্যবহার করার ফলে ডিভাইসটিতে স্ক্র্যাচ পড়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ডিভাইসটিতে আপনারা ফুল এইচ ডি ভিডিও (১০৮০x১৯২০ পিক্সেল) দেখতে পারবেন কোন প্রকার ল্যাগিং ছাড়া।

এই ডিভাইসটির টাচ এক কথায় দারুন এবং রেসপন্সিভ। বিন্দুমাত্র ল্যাগিং পাইনি। আর এই ডিভাইসের ডিসপ্লেতে ৫ আঙ্গুল পর্যন্ত মাল্টিটাচ সাপোর্ট করে।

Screenshot_2015-12-13-19-01-14

সি.পি.ইউ এবং জি.পি.ইউ

Walton Primo R4 এ ব্যবহার করা হয়েছে ৬৪ বিট ১.৩ গিগাহার্টজ কোয়াড কোর প্রোসেসর। আর এই ডিভাইসে চিপসেট হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক ৬৭৩৫। কাজেই এই ডিভাইসের পারফরমেন্স কেমন হবে সেটা বুঝতেই পারছেন। যে কোন প্রকার গেমস খেলা যাবে ল্যাগিং ছাড়াই। Walton Primo R4 এ জি.পি.ইউ ব্যবহার করা হয়েছে মালি টি৭২০, যা আপনারদেরকে উন্নত পারফরমেন্স দেবে।

CPU & Gpu

র‌্যাম এবং রম

এই ডিভাইসে ২ জিবি র‌্যাম এবং ১৬ জিবি ইন্টারনাল মেমোরী। ২জিবি র‌্যামের মধ্যে আপনারা ইউজার এ্যভেইলেবল র‌্যাম পাবেন ১.৯ জিবি পর্যন্ত। আর ১৬ জিবি ইন্টারনাল মেমোরীর মধ্যে আপনারা ইউজার এ্যভেইলেবল রম পাবেন ১২.৩ জিবি যা ইউনিফাইড স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। আর বাকি যায়গা টুকু ডিভাইসটির অপারেটিং সিস্টেম এবং বিল্ট ইন এপস ইনষ্টলের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়া আপনার সুবিধা মত ৩২ জিবি পর্যন্ত এক্সটার্নাল মেমোরী ব্যবহার করতে পারবেন।

Ram & Rom

ইউজার ইন্টারফেস

প্রতিটি ডিভাইসের নিজস্বতাই তার আসল পরিচয়। আর একটি ডিভাইসের নিজস্বতা প্রকাশ পায় তার ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমেই। Walton Primo R4 এর ইউজার ইন্টারফেসে আপনারা একটু ভিন্নতার স্বাদ পাবেন। ডায়াল প্যাড, নোটিফিকেশন বার থেকে শুরু করে সকল স্তরেই পাবেন নতুনত্বের আমেজ। কারণ এই ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে এ্যমিগো ৩.১ ইউজার ইন্টারফেস।  থিম সেকশন থেকে বিভিন্ন প্রকার ষ্টক থিম ব্যবহার করেডিভাইসের লুকস-কে পরিবর্তন করতে পারবেন। এছাড়া বিভিন্ন লাঞ্চার ইউজ করার স্বাধীনতা তো রয়েছেই।

ক্যামেরা

Primo R4 ডিভাইসটিতে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল অটোফোকাস ক্যামেরা, সঙ্গে রয়েছে  এল.ই.ডি উজ্বল ফ্ল্যাশ। যার ফলে আপনারা রাতের বেলায় ও ভালো কোয়ালিটির ছবি তুলতে পারবেন। Primo R4 দিয়ে তোলা ছবি গুলো আপনারা নিচে দেখতে পাবেন। এছাড়া সেলফি তোলার জন্য রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। Walton Primo R4 এর রিয়্যার ক্যামেরা দিয়ে ফুল এইচ ডি রেজুল্যুশনে (১০৮০X১৯২০ পিক্সেল) ভিডিও করতে পারবেন। ডিভাইসটি দিয়ে তোলা  ছবির কোয়ালিটি যথেষ্ট মান সম্মত। চলুন এখন আমরা  এই ডিভাইস দিয়ে তোলা কিছু স্থির চিত্র দেখে নেই।

রিয়্যার ক্যামেরা:

Rear (3)

Rear (2)

Rear (1)

ফ্রন্ট ক্যামেরা:

Front

কিছু ক্যামেরা ফিচার দেখে নেই:

pixlr_20160214213210103

 

কানেক্টিভিটি ও সেন্সর

Primo R4 এ কানেক্টিভিটির মধ্যে রয়েছে ওয়াই-ফাই, ব্লু-টুথ ভার্সন ৪, মাইক্রো ইউ এস বি ভার্সন ২, তারবিহীন ডিসপ্লে শেয়ারিং, ওয়াই-ফাই হটস্পট, ও টি জি ইত্যাদি। আর যে সকল সেন্সর ইউজ করা হয়েছে সে গুলো হলো এ্যকসেলোমিটার ৩ডি, লাইট সেন্সর, প্রক্সিমিটি সেন্সর, কম্পাস প্রভৃতি।

Sensor

Primo R4 vS Primo R3

আপনারা যারা Primo R3 এবং R4 এর মধ্যে পার্থক্য জানতে চান তাদের জন্য নিচে একটি স্ক্রিনশট দিলাম। আশা করি স্ক্রিনশট দেখলে আপনারা সবাই ডিভাইস ২টির পার্থক্য বুঝতে পারবেন। ছবিটি বড় করে দেখতে ছবিটির উপরে ক্লিক করুন।

Comparison

গেমিং পারফরমেন্স

একটি সময় ছিলো যখন  আমরা মোবাইল ক্রয় করতাম শুধুমাত্র কথা বলার জন্য। আর এখন আমরা স্মার্টফোন ক্রয় করতে গেলে যে সকল বিষয় চিন্তা করি তা হলো হাই কোয়ালিটি ক্যামেরা, ডিসপ্লে রেজুল্যুশন এবং গেমিং পারফসমেন্স। আপনারা ইতিমধ্যেই জেনেছেন যে এই ডিভাইসটির পারফরমেন্স কেমন। আমি নিজে এই ডিভাইসটিতে মডার্ন কম্ব্যাট, ফিফা, এসফাল্ট, রিয়েল রেসিং সহ বিভিন্ন হাই গ্রাফিক্যাল গেমস খেলেছি বিন্দুমাত্র ল্যাগিং ছাড়াই। আশা করি Walton Primo R4 ইউজার-রা এই ডিভাইসটিতে সব ধরনের গেমিং পারফরমেন্স নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবেন।

games

সাউন্ড কোয়ালিটি

এই ডিভাইসের  সাউন্ড কোয়ালিটি যথেষ্ট ভালো এবং সঙ্গে থাকা ইয়ার ফোনটি মান সম্মত।  এছাড়াও লাউড স্পিকারে যখন কথা বলবেন তখন যথেষ্ট উচ্চ স্বরে কথা শুনতে পারবেন।

ব্যাটারি ব্যাকাপ

এই ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ২৪০০ মিলি এ্যাম্পিয়ার লি-আয়ন রিমুভেবল ব্যাটারি। ব্রাউজিং, গেমিং, কথা বলা সহ সকল কিছু করার জন্য এই ডিভাইসটির ব্যাটারি আপনাকে একদিন খুব সহজেই ব্যাকাপ দিবে।

ও.টি.জি এবং ও.টি.এ:

এই দুটো ফিচার সম্পর্কে আপনাদের এখন আর বিষদ বর্ণনা দিতে হবে বলে মনে হয়না। কেননা এই ফিচার গুলো আমার আগের রিভিউতে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আপনার ডিভাইসটি অনলাইন এ আপডেট এর জন্য ও.টি.এ একটি বিশেষ সুবিধা যা বিশ্বের সকল স্মার্টফোনেই রয়েছে। এবং ও.টি.জি সুবিধা থাকার ফলে আপনারা ডিভাইসটিতে মাউস, কিবোর্ড, পেন ড্রাইভ সহ বিভিন্ন পোর্টেবল গ্যাজেট ব্যবহার করতে পারবেন।

Ota

এ্যান্টি-থেফ্ট:

এই সুবিধা ওয়ালটন মোবাইলের একটি অন্ততম বিশেষ সুবিধা। এর ফলে আপনার ডিভাইসটি যদি হাড়িয়েও যায়, তখনও খুব সহজেই আপনি আপনার ডিভাইসটি ট্র্যাকিং করতে পারবেন। আর এ্যন্টিথেফ্ট সম্পর্কে জানতে হলে নিচের ভিডিওটি দেখে নিন।

Screenshot_2

স্মার্ট জেশ্চার:

ইদানিং ওয়াল্টন এর প্রায় সকল ডিভাইসেই স্মার্ট জেশ্চার সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এর ফলে ডিভাইসটি অফ থাকা অবস্থায় ডিসপ্লে-তে বিভিন্ন প্রকার সাংকেতিক চিহ্ন অংকনের মাধ্যমে বিভিন্ন ফাংশন রান করতে পারবেন।

New (2)

নিজস্ব থিম মেকিং:

এই বিষয়টি  আমার কাছে খুবই দারুণ লেগেছে। বিশেষ করে অনলাইন থেকে যখন থিম ডাউনলোড করতে করতে  বোরিং লাগবে, তখন নিজেই নিজের ডিভাইসে পছন্দ মত থিম তৈরী করতে পারবেন। ডিভাইসটির “চ্যামিলিয়ন” এপস এর মাধ্যমে থিম তৈরী করতে পারবেন।

Theme

পাওয়ার ম্যানেজার:

এই সুবিধাটি ওয়াল্টন মোবাইলের নতুন সংযোজন। এর মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইসের ব্যাটারি ব্যাকাপকে আরো বৃদ্ধি করতে পারবেন। “Extreme Power Saving Mode” অপশনটি অন করলে ডিভাইসের চার্জ ১০% থাকা অবস্থায়ও ১২-১৪ ঘন্টা  ব্যাটারি ব্যাকাপ পাবেন। তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে কলিং এবং ম্যাসেজিং সুবিধার মধ্যেই সিমাবদ্ধ থাকতে হবে।

 

Screenshot_1বেঞ্চমার্ক স্কোর:

মোবাইল কিনবেন, অথচ মোবাইলের বেঞ্চমার্ক টেষ্ট করবেন না, তা কি হয়? আমরা আপনাদের সুবিধার জন্যে Walton Primo R4 ডিভাইসে এ্যনটুটু বেঞ্চমার্ক, নেনামার্ক এবং গিকবেঞ্চ টেষ্ট করেছি। চলুন এক নজরে দেখে নেই মোবাইলের বেঞ্চমার্ক স্কোর গুলো কেমন।

Walton Primo R4 এর এ্যনটুটু বেঞ্চমার্ক স্কোর এসেছে ৩০,৩৪৯ যা এই দামের ডিভাইস গুলোর  মধ্যে যথেষ্ট ভালো স্কোর। এছাড়া নেনামার্ক স্কোর এসেছে ৬৪.৮ যা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আর এটা থেকেই বোঝা যায় ডিভাইসটির গ্রাফিক্স কোয়ালিটি সম্পর্কে।

Bench mark (2)

Bench mark (1)

আমরা গিকবেঞ্চ টেষ্ট করেছি। চলুন এক নজরে দেখে নেই মোবাইলেল গিকবেঞ্চ স্কোর।

Geek Bench

মূল্য:

এই ডিভাইসের  দাম নির্ধারণ করা করা হয়েছে ১১,২৯০ টাকা। ডিভাইসটির কনফিগারেশন অনুযায়ী মূল্য যথেষ্ট মানানসই। কমমূল্যে ভালো ভালো  ফিচারের জন্যই গ্রাহকদের কাছে এই ডিভাইসের চাহিদা  অন্যান্য ডিভাইসের চেয়ে একটু হলেও বেশি।

দূর্বলতা

ডিভাইসটি দিয়ে সরাসরি ভিডিও কল করা যাবেনা। এর জন্য আপনাকে স্কাইপ, ভাইবার এর মত এপলিকেশনের সহায়তা নিতে হবে।

সিদ্ধান্ত:

মূল্য আর ফিচারের কথা যদি আমরা কেউ এখন চিন্তা করি, তাহলে আমার একান্ত অভিমত কেউ জানতে চাইলে আমি তাকে অবশ্যই এই ডিভাইসটি কিনতে বলবো, কেননা এই মূল্যে এই রকম ফিচার সমৃদ্ধ ডিভাইস পাওয়া যাবে খুব কম-ই। তবে আপনাদের সকলের সিদ্ধান্ত-কে আমি ব্যক্তিগত ভাবে শ্রদ্ধা করি। তবে এটা বলতে পারি, এই ডিভাইসটি হাতে নিয়ে দেখলে আর ফিচারের কথা চিন্তা করলে এই বাজেটে এই ডিভাইসটি হতে পারে একটি ষ্টাইলিশ মোবাইল।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মন্তব্যসমূহ